চুরি, নির্যাতন, প্রতারণা ও হয়রানি

আইনফৌজদারি আইন

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ — চুরি, ডাকাতি, প্রতারণা ইত্যাদি ধারাসমূহ

চুরি, চুরির প্রচেষ্টা, গৃহভেদনকারী চুরি, প্রতারণা ও মারাত্মক আঘাতের মতো অপরাধ আলাদা ধারায় সংজ্ঞায়িত।

অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড বা উভয় শাস্তি হতে পারে।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

যৌন হয়রানি, নির্যাতন ও শিশু প্রতারণার মতো বিষয়ে বিশেষ আইনে কঠোর শাস্তির বিধান থাকতে পারে।

ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষায় আদালত ও তদন্তকারী সংস্থার নির্দেশনা প্রযোজ্য।

বিশেষ ক্ষমতা আইন ও সংশ্লিষ্ট বিধি (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)

নির্দিষ্ট অপরাধ দমনে তদন্ত ও গ্রেপ্তারের বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া আইন আলাদা পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে।

এসব আইনের প্রয়োগ সীমা ও সাংবিধানিক চ্যালেঞ্জ আদালতে নির্ধারিত হয়।

সাইবার ও ডিজিটাল মাধ্যমে হয়রানি — ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন (প্রযোজ্য)

অনলাইনে মানহানি, হয়রানি বা অশ্লীল কন্টেন্ট প্রচার সংক্রান্ত অভিযোগ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের আওতায় আসতে পারে।

প্রমাণ হিসেবে স্ক্রিনশট, লগ ও আইপি তথ্য গুরুত্বপূর্ণ।

শিক্ষামূলক সংক্ষিপ্ত বিবরণ — আইনি পরামর্শ নয়। মামলা ও দাখিলের জন্য প্রযোজ্য আনুষ্ঠানিক গেজেট ও যোগ্য আইনজীবীর সাথে যাচাই করুন।