মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (নিকাহ, তালাক, ভরণপোষণ)
নিকাহ নিবন্ধন, তালাকের ধরন (তালাকে বিদয়, খুলা ইত্যাদি) ও স্ত্রী-সন্তানের ভরণপোষণ নির্ধারণ এই অধ্যাদেশে বিধৃত।
কাজী ও ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে নিবন্ধন ও সাক্ষ্যের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
আইনসমূহ ও বিস্তারিত
নিকাহ নিবন্ধন, তালাকের ধরন (তালাকে বিদয়, খুলা ইত্যাদি) ও স্ত্রী-সন্তানের ভরণপোষণ নির্ধারণ এই অধ্যাদেশে বিধৃত।
কাজী ও ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে নিবন্ধন ও সাক্ষ্যের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।
হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য বিয়ে বৈধতা, বিবাহবিচ্ছেদ ও ভরণপোষণ আলাদা আইন ও রীতিতে নিয়ন্ত্রিত হতে পারে।
নিবন্ধন ও প্রমাণপত্র সংগ্রহ আদালতে দাবি জানাতে সাহায্য করে।
নির্দিষ্ট শর্তে বিভিন্ন ধর্মের ব্যক্তির মধ্যে বিয়ে স্বীকৃতি ও নিবন্ধনের পথ এই আইনে বর্ণিত।
বিয়ের পূর্বশর্ত ও সাক্ষীর বয়স ইত্যাদি মেনে চলা বাধ্যতামূলক।
স্ত্রী, সন্তান বা বয়স্ক অভিভাবকের ভরণপোষণের জন্য পারিবারিক আদালতে আবেদন করা যায়।
আয়, সম্পদ ও প্রয়োজন বিবেচনায় আদালত মাসিক ভরণপোষণ নির্ধারণ করতে পারে।
শিক্ষামূলক সংক্ষিপ্ত বিবরণ — আইনি পরামর্শ নয়। মামলা ও দাখিলের জন্য প্রযোজ্য আনুষ্ঠানিক গেজেট ও যোগ্য আইনজীবীর সাথে যাচাই করুন।